paponblog

Saturday, 14 April 2012

কফি ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমায়

বিসমিল্লাহির রহমানীর রাহীম। আশা করা সবাই ভালো আছেন। আজকে আমি আপনাদের সাথে খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় সম্পর্কে আলোচনা করবো। আমরা সবাই জানি যে ডায়াবেটিস হলো বাংলাদেশের একটি জাতীয় রোগ। বাংলাদেশের প্রায় অধিকাংশ মানুষই এই ডায়াবেটিস রোগে আক্রান্ত। মুলতঃ ডায়াবেটিস হলো একধরণের বহুমুত্র রোগ। ডায়াবেটিসকে সারানোর মতো বর্তমানে এখনো কোন ঔষুধ আবিস্কার হয়নি। এটিকে শুধুমাত্র নিয়ন্ত্রন করা যায়।
তবে সাম্প্রতিক, বিজ্ঞানীরা গবেষণা করে দেখেছেন, যারা কফি বেশি পান করেন তাদের ডায়াবেটিসের ঝুঁকি অনেক কম। দৈনিক যারা ২ থেকে ৩ কাপ কফি পান তাদেন ডায়াবেটিসের ঝুঁকি অনেক কম। সাম্প্রতি ওইউ স্বাস্থ্য সংস্থার গবেষকরা বলেছেন, বেশি কফি পান করলে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি তুলনামুলক ভাবে অনেক কমে যায়। তার কারণ হলো কফিতে অবস্থিত কলিনার্জিক এসিড গ্লুকোজের মাত্রা বৃদ্ধি প্রতিহত করে।

গবেষক জ্যাং ইং এর নেতৃত্বে এক দল গবেষক আট বছর গবেষণা করে দেখেছেন যে, যে ব্যক্তি দিনে ১২ কাপের বেশি কফি পান করে, তার ডায়াবেটিসের ঝুঁকি ৬৭ শতাংশ কম থাকে। আমেরিকান চিকিৎসা শাস্ত্রের সমিতি অনুসারে, ডায়াবেটিস এমন একটি রোগের যাতে উচ্চ রক্তচাপ ও চিনি রয়েছে। তাই তারা বলছে, প্রতিদিন এক ব্যক্তি যদি ১২ কাপ কফি পান করে তাহলে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি অনেক কম থাকে। গবেষক জ্যাং ইং-এর মতে, আমরা কফির ওপর বেশি নজর রেখেছিলাম। কারণ অনেক তরুন কফি পান করে। তাই কফি জনস্বাস্থ্যের ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাতে অনেক সাহায্য করবে। যদিও এ গবেষণা কেবল আমেরিকা ও ভারতে চালানো হয়েছে।

জ্যাং ইং- এর এ গবেষণা ইতিমধ্যেই আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশ পেয়েছে। এ গবেষণা কাজ করা হয়েছিল জাতীয় হদরোগ ও ফুসফুস, রুক্ত সংস্থা এবং মেডস্টার গবেষণা সংস্থার সঙ্গে।
তাই বিজ্ঞানীরা পরামর্শ দিয়েছেন বেশি করে কফি পান করে নিজেকে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি থেকে মুক্ত থাকতে।
»» read more

আপনি জানেন কীঃ ক্যালসিয়াম ওজন কমায়!

বিসমিল্লাহির রহমানীর রাহীম। আশা করি সবাই আল্লাহর রহমতে ভালো আছেন। আসলে শরীর যদি ভালো না থাকে তাহলে তো কাজেও মন বসবে না তাই না? সুতরাং শরীরের উপর মনযোগ অত্যান্ত জরুরী একটি জিনিষ। আজ আমি ক্যালসিয়াম সম্পর্কে আপনাদের কিছু ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করবো। আশা করি আপনাদের উপকারে আসবে। আমি শুনেছি জ্ঞান কখনো বৃথা যায় না। আর এটা এমন না যে ছোটরা বড়দের চেয়ে সবদিক থেকে কম জানে।

ক্যালসিয়াম এমন একটা মিনারেল যা শরীরের চর্বি কমিয়ে ওজনটাকেও কমিয়ে দেয়। সম্প্রতি বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালিয়েছে পারাভিউ ইউনিভার্সিটির গবেষকগণ। বেশ কিছু সংখ্যক মহিলাদের নিয়ে এ পরীক্ষাটি চালানো হয়েছে। গবেষকগণ তাদেরকে বেশি বেশি করে ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধি খাবার খাইয়েছেন। অপর আরেকদল মহিলাদেরকে গবেষকগণ স্বাভাবিক খাবার খাইয়েছেন। দেখা গেছে যারা বেশি করে ক্যালসিয়াম খেয়েছেন তাদের ওজন কমেছে বাকিদের তুলনায়।
এদিকে ক্যালসিয়াম কিভাবে ওজন কমায় তা নিয়ে বিজ্ঞানী-গবেষকগণ একটা নতুন তথ্যও দাঁড় করিয়েছেন। তাদের ভাষ্যমতে ক্যালসিয়ামের অভাব হলে রক্তে প্যারাথাইয়েড হরমোনের মাত্রা বেড়ে যায়। এটি একই সাথে রক্তে এ্যাকটিভ ভিটামিন-ডি এর মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। এই প্যারাথাইয়েড হরমোন এবং ভিটামিন ডি ফ্যাট সেলগুলোতে ক্যালসিয়ামের অনুপ্রবেশ ঘটায় এবং ফ্যাটসেল গুলোতে আরো ফ্যাট জমা হতে সাহায্য করে। ফলে শরীরে ফ্যাট জমে ওজন বেড়ে যায়।
অপরদিকে রক্তে ক্যালসিয়ামের মাত্রা বেশি থাকলে এই দৃশ্যপট বদলে যায়। ফলে ফ্যাট ভাঙ্গতে শুরু করে আর ফ্যাটের স্টোরও কমে যায়। ফলে ওজনও কমে যায়।
সুতরাং ওজন কমাতে হলে এখন থেকেই বেশি বেশি করে ক্যালসিয়াম যুক্ত খাবার খাওয়া শুরু করুন। থাকুন ফ্যাট ফ্রী, উড়ে বেড়ান মুক্ত বাতাসে :)

»» read more

ফ্রিল্যান্সারের রাশিফল ২০১২

নতুন বছর কেমন যাবে এবিষয়ে সকলেরই কমবেশি আগ্রহ থাকে। অনেকে রীতিমত গুরুত্ব দিয়ে রাশিফল দেখেন। কেউ বিশ্বাস করেন গ্রহ নক্ষত্রের অবস্থান, সংখ্যাতত্ব ইত্যাদির ওপর কেউ এসবে বিশ্বাস করেন না। তাদের নির্ভরতা অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সামাজিক ঘটনাপ্রবাহ। এসব দেখেই ধারনা পেতে চেষ্টা করেন সামনের দিনগুলি কেমন যেতে পারে। এই পদ্ধতিতে ফ্রিল্যান্সিং ২০১২ সালে কেমন যাবে সেটা কি ধারনা করা সম্ভব ?
সম্ভব। যারা এবিষয়ে বিশেষজ্ঞ তারা চারিদিকের ঘটনাপ্রবাহ বিশ্লেষন করে আগাম বলে দিতে পারেন ভবিষ্যত কোনদিকে যাচ্ছে। এধরনের কিছু মত সংগ্রহ করে তুলে ধরা হচ্ছে এখানে।


ফ্রিল্যান্সারের সংখ্যা
.          অতীতের যে কোন সময়ের চেয়ে ফ্রিল্যান্সারের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে
এবছর আগের চেয়ে অনেক বেশি মানুষ ফ্রিল্যান্সিংকে পেশা হিসেবে ব্যবহারের চেষ্টা করবে। অনেক প্রচলিত চাকরী ছেড়ে ফ্রিল্যান্সিং পছন্দ করবে। সেইসাথে যারা পড়াশোনা শেষ করছে তারা এদিকে বেশি ঝুকবে।
.          অনেক বেশি ফ্রিল্যান্সার পেশা ছেড়ে যাবে।
যে পরিমান মানুষ ফ্রিল্যান্সিং এ যোগ দেয়ার চেষ্টা করবেন ফ্রিল্যান্সিং এর বাজার এখনও তাদের ধারন করার মত বড় হয়নি। ফলে অনেককে সরে যেতে হবে ফ্রিল্যান্সিং থেকে। এছাড়া ফ্রিল্যান্সারদের বড় একটি অংশের এখনও ব্যবসা বা মার্কেটিং  এর দক্ষতা গড়ে ওঠেনি। ফলে তাদের পক্ষে স্থায়ী যায়গা করে নেয়া কঠিন হবে।
.          মোট ফ্রিল্যান্সারের সংখ্যা অনেক বাড়বে
নতুনভাবে যোগ দেয়া এবং সরে যাওয়া যাও দুটি বিষয় একসাথে করার পর যারা ফ্রিল্যান্সিং পেশায় থেকে যাবেন তাদের সংখ্যাই বেশি। ফলে মোট ফ্রিল্যান্সারের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে।

ফ্রিল্যান্সিং এবং সোস্যাল মিডিয়া
.          সোস্যাল মিডিয়ার ব্যবহার আরো বৃদ্ধি পাবে
বর্তমানে সকলে না হলেও অনেকে ফ্রিল্যান্সার প্রচারের জন্য সোস্যাল মিডিয়া ব্যবহার করেন। এই প্রবনতা আরো বৃদ্ধি পাবে।
.          ব্লগিং এর আরো কাছাকাছি আসবে
সোস্যাল মিডিয়া এবং ব্লগ এর সম্পর্ক আরো গভীর হবে। ব্লগ যাদের কাছে পৌছায় না তাদের কাছে পৌছার জন্য সোস্যাল মিডিয়াগুলি কাজ করবে।
.          দুএকটি জনপ্রিয় সোস্যাল মিডিয়া ব্যর্থ হবে
বর্তমানে মোটামুটি একই ধরনের অনেকগুলি সোস্যাল মিডিয়া বিদ্যমান। এদের সকলের ভাল করার সম্ভাবনা নেই। ফল হিসেবে বর্তমানে ভাল অবস্থানে থাকা কোন সোস্যাল মিডিয়াকে বাজার থেকে সরে যেতে হতে পারে।

ফ্রিল্যান্সার কিভাবে কাজ করবেন
.          আরো বেশি প্রতিস্ঠান ফ্রিল্যান্সার ব্যবহার করবে
খ্যাতিসম্পন্ন প্রতিস্ঠানগুলি ফ্রিল্যান্সিং এর মাধ্যমে কাজ করানো শুরু করবে এবং বেতনভোগি কর্মী সংখ্যা কমাবে। সেইসাথে উপযুক্ত ফ্রিল্যান্সার সহজে খুজে বের করার পদ্ধতি বের করা হবে।
.          ফ্রিল্যান্সারদের সহযোগিতা বাড়বে
ফ্রিল্যান্সাররা একে অন্যের সাথে যোগাযোগ বাড়াবেন এবং মিলেমিশে কাজ করবেন। ২০১২ কে ফ্রিল্যান্সিং এর বছর বললে খুব বেশি বলা হয় না। দুবছর কিংবা আরো বেশি সময় যারা কাজ করছেন তারা দলগতভাবে কাজ করবেন। ফলে ফ্রিল্যান্সার এবং ক্লায়েন্ট উভয়েই উপকৃত হবেন।
.          কিছু ফ্রিল্যন্সার ব্যবসা শুরু করবেন
অভিজ্ঞ ফ্রিল্যান্সার একাজ কাজ না করে ব্যবসা প্রতিস্ঠান গড়ার দিকে যাবেন। অন্যদের নিয়োগ দিয়ে বড় ধরনের কাজের দিকে যাবেন।

ফ্রিল্যান্সিং এবং সমাজ
.          ফ্রিল্যান্সিং সমাজের পেশায় পরিনত হবে
ফ্রিল্যান্সিংকে এখনও পেশার মর্যাদা দেয়া হয় না। ফ্রিল্যান্সারের সংখ্যা এবং কাজের পরিমান বৃদ্ধি পাওয়ায় এক পৃথক একটি পেশা হিসেবে স্বিকৃতি দেয়া হবে।
.          ফ্রিল্যান্সাররা অর্থনীতিতে বড় ভুমিকা রাখবেন
ফ্রিল্যান্সিং যত ব্যাপক হবে অর্থনীতিতে তাদের অবদান তত বাড়বে। অর্থনীতিবিদরাও তাদের বিবেচনায় এদেরকে আনবেন।
.          ফ্রিল্যান্সারের জন্য আরো বিধিনিশেধ চালু হবে
রাষ্ট্র, ইন্টারনেট সহ অন্যান্য কারনে ফ্রিল্যান্সার বাধার সম্মুখিন হবেন। সবচেয়ে বড় সমস্যা তৈরী হতে পারে ইন্টারনেটের বিধিনিষেধ। সেইসাথে অতিরিক্ত ট্যাক্স আরোপ করা তাদের জন্য সমস্যা হয়ে দাড়াতে পারে।

যে কোন ভবিষ্যতবানীই অনিশ্চিত। ঠিক যা ধারনা করা হয়েছে সেটা নাও ঘটতে পারে। বর্তমান প্রবনতার কথাই প্রকাশ পেয়েছে এই বক্তব্যগুলিতে। আর সাধারনত প্রবনতা চালু থাকলে তারসাথে মানানসই ফলই পাওয়া যায়।
»» read more

ইন্টারনেটে আয় কতটা সহজ কতটা কঠিন

ইন্টারনেটে আয় সম্পর্কে একটি কথা প্রায়ই বলা হয়, সহজে ঘরে বসে আয়। অনেক সময় আরো নির্দিস্ট করে বলা হয় দিনে কিছু সময় ব্যয় করে হাজার ডলার আয় করুন। ফলে একধরনের ধারনা তৈরী হয়ে গেছে। অনেকেই ধরে নেন কাজে হাত দিলেই সাথেসাথে টাকা আসতে শুরু করবে। একে ভুল ধারনা বলতে পারেন কারন হাজার ডলার আয় করার কাজটি সহজ না। 
আবার বিপরীতভাবে কাজে হাত দিলে সাথেসাথে টাকা আসতে শুরু করে একথাও ঠিক। কতটা সহজে কি পরিমান আয় করা বাস্তবসম্মত, হাজার ডলার আয়ের জন্য কতটা সময়, শ্রম, মেধা ব্যয় করতে হয় এবিষয়ে কিছুটা ধারনা পেতে পারেন এই লেখা থেকে।

পিটিসি : খুব সহজ এবং খুব কঠিন
ক্লিক করলেই টাকা পাবেন, যত ক্লিক তত টাকা এভাবেই প্রচার করা হয় পিটিসির। কাজটি অত্যন্ত সহজ। পিটিসি সাইটে গিয়ে তাদের সদস্য হবেন (বিনামুল্যে)। এরপর তাদের নিয়ম অনুযায়ী নির্দিস্ট লিংকে ক্লিক করবেন। লিংক অনুযায়ী আপনার একাউন্টে টাকা জমা হবে। লিংকগুলি মুলত বিজ্ঞাপনের। যারা বিজ্ঞাপন দিয়েছেন তাদের উদ্দেশ্য হচ্ছে আপনি ক্লিক করলে যে টাকা পাবেন তার বিনিময়ে তাদের বিজ্ঞাপন দেখবেন। এটুকু কাজ খুব সহজ। যদি এভাবে যথেষ্ট পরিমান আয় করতে চান তাহলে কঠিন বিষয় শুরু হয়।
বেশি আয়ের শর্তগুলি জেনে নিন। ধরুন ক্লিকসেন্সে আপনি সদস্য হলেন। আপনি দিনে কোন ধরনের কতগুলি ক্লিক করার সুযোগ পাবেন বিষয়টি অনেকগুলি শর্তের ওপর নির্ভর করে (এবিষয়ে বিস্তারিত রয়েছে এখানে)। সাধারনভাবে আপনি ১৫ থেকে ৩০টি ক্লিক করার সুযোগ পাবেন। এভাবে আপনার আয় হবে বড়জোর মাসে ৫ ডলার। আপনি যদি এধরনের ১০টি সাইটের সদস্য হন তাহলে সর্বোচ্চ ৫০ ডলার আয় করতে পারেন।
যদি অন্যকে সদস্য করে দিতে পারেন (বিনামুল্যের) তাহলে তিনি ক্লিক করলে তার ভাগও পাবেন। যতজনকে সদস্য করবেন আপনার আয় তত বেশি। বাস্তবে যদি ব্লগ/ওয়েবসাইট/ফেসবুক/ইমেইল ইত্যাদি ব্যবহার করে আপনি শতশত সদস্য সংগ্রহ করতে পারেন। সেক্ষেত্রে তাদের মাধ্যমে আয় আপনার নিজের আয়ের বহুগুন বেশি হবে। কাজটি সহজ না নিশ্চয়ই। আপনাকে জনপ্রিয় ব্লগ বা বহু ফলোয়ার সহ ফেসবুক একাউন্ট রাখতে হবে।
আরেকভাবে আয় বাড়ানো যায়। আপনি টাকা দিয়ে বিনামুল্যের সদস্য থেকে প্রিমিয়াম সদস্যপদ নিতে পারেন। এরফলে নিষ্চিতভাবে বেশিসংখ্যায় বেশি টাকার বিজ্ঞাপনে ক্লিক করার সুযোগ পাবেন। সেইসাথে আপনার সদস্যের মাধ্যমে যারা সদস্য হবেন তাদের (ক্লিকসেন্সে ৮ লেভেল পর্যন্ত) তাদের টাকাও পাবেন। এই কাজগুলির সবকিছু করলে আপনার পক্ষে পিটিসি থেকে হাজার ডলার আয় সম্ভব।
আরেকটি সমস্যার কথাও মাথায় রাখা ভাল। অনেক পিটিসি সাইট অত্যন্ত মনোলোভা বিজ্ঞাপন দেয়, কাজ করলে আপনার একাউন্টে টাকা জমেছে সেটা দেখা যায় কিন্তু সেই টাকা পাওয়া যায় না। কাজেই কারো সদস্য হওয়ার আগে আপনার জেনে নেয়া প্রয়োজন সেই সাইট নির্ভরযোগ্য নাকি ভুয়া।
আরেকটি বড় সমস্যা, বাংলাদেশে পেপলের মাধ্যমে টাকা পাওয়ার ব্যবস্থা না থাকা। অনেক পিটিসি সাইট কেবলমাত্র পেপলের মাধ্যমে টাকা দেয়। শুধুমাত্র একারনেই আপনি অনেক পিটিসি সাইট ব্যবহারের সুযোগ পাবেন না।
কাজেই আপনি বলতে পারেন পিটিসি ব্যবহার করে ইন্টারনেটে আয় অত্যন্ত সহজ আবার অত্যন্ত কঠিন।

ফ্রিল্যান্সিং : সহজ এবং কঠিন
ফ্রিল্যান্সিং হচ্ছে ইন্টারনেটের মাধ্যমে কোন কাজ নিয়ে করে দেয়া। আপনার দক্ষতা অনুযায়ী কাজ নেবেন এবং সেই অনুসারে টাকা পাবেন। যেমন ডাটা এন্ট্রি করলে পাবেন কম টাকা, গ্রাফিক ডিজাইন, ফ্লাশ এনিমেশন ইত্যাদি করলে পাবেন বেশি টাকা, ওয়েব ডিজাইন, প্রোগামিং কাজে আরো বেশি টাকা।
একেবারে সহজ কাজ নিয়ে আরোচনা করা যাক। আপনি মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ব্যবহার করতে জানলে ডাটা এন্ট্রির কাজ করতে পারেন। সে হিসেবে কাজ সহজ। যেহেতু ডলারে হিসেব করা হয়, ঘন্টাপ্রতি ৪ ডলার আয় করলে দিনে ৫ ঘন্টা হিসেবে মাসে ৫০০ ডলার আয় করতে পারেন। কখনো কখনো আরো বেশি।
কঠিন কাজ হচ্ছে কাজ পাওয়া। সাধারন কাজ পাওয়া যায় ফ্রিল্যান্সিং সাইট থেকে। ফ্রিল্যান্সার, ওডেস্ক, স্ক্রিপ্টল্যান্স, গুরু ইত্যাদি সাইটে বিনামুল্যে সদস্য হওয়া যায়। তাদের সাইটে কাজের বর্ননা দেয়া আছে। আপনি সেটা দেখে কত টাকায় কাজ করতে চান জানাবেন। যার কাজ তিনি আপনার যোগ্যতা পরীক্ষা করে নিশ্চিত হবেন আপনি সেটা সময়মত করে দিতে পারবেন। তিনি অনুমতি দিলে আপনি কাজ করে পাঠিয়ে দেবেন, কাজের টাকা ফ্রিল্যান্সিং সাইটে জমা হবে। আপনি সেখান থেকে উঠিয়ে নিতে পারবেন।
অনেকের জন্যই সমস্যা হচ্ছে কাজের জন্য যোগাযোগ করা। এজন্য দক্ষতা প্রয়োজন। কোন কাজ কত টাকায় করবেন সেটা ঠিক করা, তাদের সাথে যোগাযোগের সময় ঠিকভাবে নিজের দক্ষতা জানানো ইত্যাদির জন্য যথেষ্ট ধৈর্য্য প্রয়োজন। বিশেষ করে নতুন অবস্থায় যখন আপনার নামের পাশে অভিজ্ঞতা লেখা নেই। কিছু কাজ ঠিকভাবে করার পর সেগুলি আপনার পরিচিতির সাথে থাকে বলে পরবর্তীতে কাজ পাওয়া সহজ হয়।
কাজেই ফ্রিল্যান্সিং কাজ তুলনামুলক সহজ। দিনে কিছু সময় ব্যয় করে আপনি যথেষ্ট পরিমান টাকা উপার্জন করতে পারেন। কিন্তু যোগাযোগের কাজটি অনেকটাই কঠিন। এজন্য সঠিক পদ্ধতি জানা, সবসময় লেগে থাকা, যোগাযোগ করার মত ইংরেজি জানা ইত্যাদি প্রয়োজন হয়।

ইন্টারনেট থেকে আয়কে সহজ বলতেই পারেন। কিন্তু যখন ভাল ফল আশা করবেন কিংবা চাকরীর বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করবেন তখন দিনের কিছু সময় ব্যয় করা যথেষ্ট না। বাস্তবতা হচ্ছে ইন্টারনেটে আয়ের জন্য চাকরীর থেকেও বেশি সময় ব্যয় করতে হয়। দিনে-রাতে সবসময় যোগাযোগ রক্ষা করতে হয়।
আর ফল ?
আপনি হয়ত লক্ষ টাকা বেতনের চাকরী আশা করতে পারেন না। ইন্টারনেটে কাজ করে লক্ষ টাকা আয় করা খুবই সম্ভব।
»» read more

জুমলা-ওয়ার্ডপ্রেস থিম-টেম্পলেট পরিবর্তণ করুন ড্রিমওয়েভার দিয়ে

গত কয়েক বছর ধরে জুমলা, ওয়ার্ডপ্রেস, মোভাবল টাইপ, দ্রুপল ইত্যাদি সিএমএস ফ্রেমওয়ার্ক ওয়েব এর বড় যায়গা দখল করেছে। এদের মাধ্যমে খুব সহজে বিশাল সাইট ব্যবহার করা যায়। এমনকি একেবারে সামান্য জেনে শুধুমাত্র ক্লিক করে সাইট তৈরী-পরিচালনা সবই করা যায়।
সিএমএস ফ্রেমওয়ার্কের জন্য বহু তৈরী থিম পাওয়া যায়। অনেকগুলি বিনামুল্যের, কিছু ব্যবহারের জন্য টাকা দিতে হয়। আপনি যখন ওয়েব ডিজাইনার তখন আপনি অন্যের সাইটের জন্য থিম তৈরী করতে পারেন, শুধুমাত্র থিম তৈরী করে বিক্রি করতে পারেন। একেবারে পুরোপুরি কোড লিখে সেকাজ করতে পারেন, অথবা ড্রিমওয়েভার ব্যবহার করে এডিট করতে পারেন। ড্রিমওয়েভার সিএস৫ সরাসরি টেম্পলেট ওপেন করতে পারে। আগের ভার্শনে কাজ করা গেলেও পুরো সাইটের সবকিছু দেখার ব্যবস্থা ছিল না।
এখানে ওয়ার্ডড্রেসের একটি টেম্পলেট উদাহরন হিসেবে দেখানো হচ্ছে।
শুরুতে টেম্পলেট সম্পর্কে কিছুটা ধারনা থাকা ভাল। টেম্পলেট অনেকগুলি পৃথক পৃথক ফাইলের সমষ্টি। সেখানে সিএসএস, এইচটিএমএল, জাভাস্ক্রিপ্ট থেকে শুরু করে আরো অনেককিছু থাকতে পারে। সাইটের কোথায় পরিবর্তনের জন্য কোন বিশেষ ফাইলে পরিবর্তন করতে হবে খুজে বের করা কষ্টকর। একাজটিই সহজ করতে পারে নতুন এই ফিচার।
.          একটি সাইট নির্দেশ করে টেম্পলেটের ফাইলগুলিকে ড্রিমওয়েভারের ফাইল প্যানেলে আনুন (এজন্য আগের টিউটোরিয়ালগুলি দেখে নিতে পারেন)।
.          index.php ফাইলটি ওপেন করুন।
কোড ভিউতে এই ফাইলের কিছু কোড দেখতে পাবেন কিন্তু ডিজাইন ভিউতে ফাকা স্ক্রিন দেখা যাবে। অথচ এটাই সাইটটির হোমপেজ। সেখানকার সবকিছুই এখানে দেখার কথা।
.          টুলবারের নিচে, মুল স্ক্রীনের ওপরে This page may have dynamically-related files that can only be discovered by the server  এর Discover লেখা অংশে ক্লিক করুন। একটি ওয়ার্নিং মেসেজ দিতে পারে।
ডকুমেন্ট টুলবারের ওপরে এরসাথে সম্পর্কযুক্ত সবগুলি ফাইলের নাম দেখা যাবে।
.          এখনও ডিজাইন ভিউতে সাইটের প্রিভিউ দেখা যাবে না। এজন্য লাইভ ভিউ বাটনে ক্লিক করুন। এখানেও শতর্কীকরন মেসেজ আসতে পারে। ওকে বাটনে ক্লিক করুন। মুল সাইটের প্রিভিউ দেখা যাবে।
সাধারনভাবে মনে হতে পারে এই পরিবর্তন হয়ত সামান্য। বাস্তবে এরফলে আপনি খুবই দ্রুত এবং খুব সহজে সাইটের যে কোন যায়গায় পরিবর্তণ করতে পারেন। ঠিক কতটুকু পরিবর্তণ হয়েছে জানার জন্য পৃথক ব্রাউজার প্রয়োজন নেই। সেভ করে পরিবর্তনটুকু দেখে নিন। সাইটের যে অংশে পরিবর্তণ করতে চান সেখানে পরিবর্তন করুন, মুল পরিবর্তন হবে সেই কাজ যেখানে হচ্ছে সেই পৃথক ফাইলে। টুলবারে যে ফাইলের পরিবর্তণ হচ্ছে তার নাম সিলেক্ট অবস্থায় দেখা যাবে।
কাজ করার আগে অবশ্যই লোকাল সার্ভার ইনষ্টল করে নেবেন।
»» read more

ফ্রিল্যান্সার কিভাবে বেশি কাজ পেতে পারেন

একজন ফ্রিল্যান্সার যথেস্ট পরিমান কাজ পাবেন এবং কাজ পাওয়ার জন্য সময়ের অধিকাংশ ব্যয় করতে হবে না এটাই আশা করেন। অনেকের কাছে কাজ পাওয়া কাজ করার থেকেও কঠিন। হয়ত আপনি সঠিক ক্লায়েন্টের কাছে পৌছাতে পাছেন না কিংবা ক্লায়েন্ট আপনার সঠিক পরিচয় পাচেছ না। 
  যারা দীর্ঘদিন ধরে এই পেশায় রয়েছেন তারা নানাভাবে এধরনের পরিস্থিতি মোকাবেলা করার পরামর্শ দেন। এজন্য ইন্টারনেটে রয়েছে বহু ব্লগ, ওয়েবসাইট, ফোরাম ইত্যাদি। বেশি কাজ পাওয়ার জন্য তাদের পরামশ্যের মুল বক্তব্য তুলে ধরা হচ্ছে এখানে।

.          কারন জানার চেষ্টা করুন
আপনি যদি সন্তোষজনক কাজ না পান তাহলে তার কারন জানার চেষ্টা করুন। এজন্য একেক জনের একেক ধরনের কারন থাকতে পারে, একাধিক কারন থাকতে পারে। কাজের ধরনের কারনেও কাজের পরিমান কম হতে পারে। আপনি যদি শুধুমাত্র গ্রাফিক ডিজাইন হিসেবে ওয়েব পেজের জন্য বাটন, ব্যানার এই কাজ খোজ করেন তাহলে স্বাভাবিকভাবেই কাজ কমে যায়। এরসাথে লোগো, পোষ্টার, বিজনেসকার্ড ইত্যাদি অন্যকিছু যোগ করে কাজের পরিধি বাড়ালে কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।
কারন যাই হোক না কেন, সেটা জানলে সমস্যার সমাধান করা সম্ভব।
.          সঠিক যায়গায় যোগাযোগ করুন
আপনি হয়ত নির্দিস্ট যায়গায় সীমাবদ্ধ থেকে কাজ খোজ করছেন। যায়গার পরিমান বাড়ালে কাজের পরিমান বাড়ার সম্ভাবনা। আপনি একা নন, আপনার মত একই সমস্যায়  পড়েছেন সারা বিশ্বের বহু মানুষ। তাদের অভিজ্ঞতা একবার জানার চেষ্টা করুন। সার্চ করলে খুব সহজেই এধরনের ফোরাম পাবেন যেখানে কেউ সমস্যার কথা লিখেন, সমাধানের কথা লিখেছেন কেউ কিভাবে সফল হয়েছেন সেটা জানিয়েছেন। তার মধ্যে থেকে আপনার জন্য উপযোগি পরামর্শগুলি কাজে লাগাতে চেষ্টা করুন।
.          নিজের পরিচিতি ঠিকভাবে তুলে ধরুন
কাজ কম পাওয়ার একটি বড় কারন নিজেকে ঠিকভাবে তুলে না ধরা। আপনি ঠিক কতটা দক্ষতার সাথে কাজ করতে পারেন সেটা যদি ক্লায়েন্ট না বোঝেন তাহলে তিনি আপনার সম্পর্কে আগ্রহি হবেন না এটাই স্বাভাবিক। ফ্রিল্যান্সার কোনভাবে নিজের পরিচিতি তুলে ধরেন। কেউ ব্লগ ব্যবহার করে কেউ সোস্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটে নিজের অভিজ্ঞতা প্রকাশ করেন। কেউ কেউ নিজের করা ভাল কাজের উদাহরনগুলি একটি পিডিএফ হিসেবে ক্লায়েন্টকে দেয়ার ব্যবস্থা রাখেন।
যেভাবেই হোক না কেন, আপনি যে কাজগুলি করেছেন তাকে উদাহরন হিসেবে দেখানোর ব্যবস্থা করুন। ক্লায়েন্ট সেগুলি দেখে ধারনা পাবেন আপনি আসলে ঠিক কি কাজ করেন এবং সে কাজে কতটা দক্ষ। হয়ত আপনার ক্লায়েন্টকে খুজতে হবে না, ক্লায়েন্ট নিজেই আপনার সাথে যোগাযোগ করবেন।

ফ্রিল্যান্সিং কাজের প্রধান যোগ্যতা কাজের দক্ষতা। দক্ষতা এমনই একটি বিষয় যেখানে আপনি কখনোই দাবী করতে পারেন না আপনার শেখা হয়ে গেছে। প্রতি মুহুর্তেই নতুন কিছু শেখার চেষ্টা করুন দক্ষতাকে আরো বাড়াতে চেষ্টা করুন। আজ না হোক, আগামীতে এর ফলেই একসময় সহজে উচুমানের কাজ পাবেন।
»» read more

ইন্টারনেট থেকে আয় : যে সমস্যার সমাধান হচ্ছে না

ইন্টারনেট ব্যবহার করে আয় সম্পর্কে বাংলাদেশে যে কথাগুলি বলা হয় সেগুলি বিভিন্নমুখি। কেউ বলেন বাংলাদেশ আউটসোর্সিং থেকে ধনী দেশে পরিনত হবে, কেউ বলেন বিপুল পরিমান জনশক্তি এজন্য তৈরী হয়ে আছ, যেকোন সময় কারা কাজ শুরু করবে (এখন কেন করছে না তার উত্তর নেই), প্রায় সারা দেশ ইন্টারনেটের আওতায় আনা হয়েছে। ক্রমেই দেশের সমস্তকিছু ডিজিটাল করা হচ্ছে। কেউ বলেন একেবারে বিপরীত কথা। ইন্টারনটের যে মান তাতে ই-মেইল ব্যবহার করা কষ্টকর। রীতিমত ধৈর্য্যের পরীক্ষা দিতে হয় ইমেইল পড়ার জন্য। দেশে বিপুল পরিমান দক্ষ জনশক্তি তৈরী আছে যাদের দেখা পাওয়া যায় না। যারা নিয়োগ দেন তারা শত চেষ্টা করেও যোগ্য প্রার্থী পান না। এসবের মাঝখানে তৈরী হচ্ছে আরেকটি দল। যারা কাজ করতে চান। এটুকু বোঝেন চাকরী পাওয়ার সম্ভাবনা নেই, ব্যবসা করার পরিস্থিতি নেই। তাদের বক্তব্য কিংবা ধারনা, দুদিকের কথাই ঠিক। কোনভাবে হঠাত হুড়হুড় করে আউটসোর্সিং কাজ আসতে শুরু করবে এটাও ঠিক আবার ইন্টারনেট ব্যবহার করা যাচ্ছে না এটাও ঠিক।
দুই বিপরীতমুখি বক্তব্য ঠিক হওয়ার কারন নেই এমন না। আপনি যদি ইন্টারনেটের জন্য কয়েক হাজার টাকা ব্যয় করতে পারেন তাহলে ইউটিউব ভিডিও কেন, দিনরাত হাই ডেফিনিশন ভিডিও ডাউনলোড করুন কোন সমস্যা নেই। ডেডিকেটেড লাইন পাবেন। আর যদি ১ গিগাবাইটের সীমিত লাইন ব্যবহার করতে চান তাহলে পুরো মাস জুড়ে সেই ১ গিগাবাইট ব্যবহারের সুযোগ পাবেন না। ইন্টারনেটের গতি বাইট থেকে বিটে নেমে আসবে।
অনেকেই প্রশ্ন করেন এই পরিস্থিতির কারন আসলে কি। একেবারে নিখুত উত্তর দেয়া সম্ভব না কারন কর্মকর্তারা মিথ্যেও বলেন না সত্যও বলেন না। বলতে পারেন অসত্য বলেন।
বাংলাদেশে ভিওআইপি একটি বড় ব্যবসা। কোটিখানেক বাংলাদেশি বিদেশে কাজ করে, পরিবারের সাথে তাদের কথা হয় এই পদ্ধতিতে। প্রতিটি আইএসপি হাজার কোটি টাকার এই ব্যবসা করে। এক পরিসংখ্যান বলছে সরকার নিয়ন্ত্রিত টেলিটক শীর্ষে। আপনি যদি নিজেই বিনামুল্যে ইন্টারনেটে কথা বলতে শুরু করেন তাহলে তাদের লাভ কমে যায়। এটা একটা কারন হতেই পারে।
আরেক কারন হতে পারে যারা আউটসোর্সিংকে তৈরী পোষাক শিল্পের মত দেখতে আগ্রহি। ইন্টারনেট থাকবে তাদের হাতের মুঠোয়। আপনি সেখানে গার্মেন্টস কর্মীর মত লাইন ধরে ঢুকে কাজ করবেন আর তারা ডলার গুনবেন। সরাসরি আপনার হাতে ডলার আসার সুযোগ তারা করে দেবেন কেন ?
কারন আরো থাকতে পারে। সম্প্রতি আমেরিকায় চেষ্টা করা হয়েছিল অনলাইনে খবরদারী বাড়ানোর আইন করার। উইকিপিডিয়া-গুগল সরাসরি এর বিরোধীতা করে করতে দেয়নি। আমেরিকা বিভিন্ন দেশের সাথে পারষ্পরিক চুক্তি করছে একাজ করার জন্য। এরই মধ্যে বেশকিছু দেশ চুক্তি করেছে। বাংলাদেশের মত দেশকে বাধ্য করা তাদের জন্য কোন বিষয় না। বরং সরকার খুশি হবে ফেসবুকের মত সাইটে খবরদারি করার সুযোগ পেলে। কেউ সমালোচনা করলে তার গলা টিপে ধরা যাবে।
এরসাথে পাইরেসির সম্পর্ক কি, পাইরেসিতে বিশ্বসেরা দেশের বিরুদ্ধে পাইরেসিজনিত কারনে  ব্যবস্থা নেয়া হয় না কেন এমন প্রশ্ন করাও স্বাভাবিক।
এরও স্পষ্ট উত্তর দেয়া কঠিন। বরং অনুমান করা যায়, বাংলাদেশ সফটঅয়্যারে কারো প্রতিদ্বন্দি না। সবাই জানে এদেশ সফটঅয়্যার নিয়ে মুখে যত কথাই বলুক, সেকাজ করার মত ব্যবস্থা নেই। শেখার ব্যবস্থা নেই, কাজ করার সুযোগ নেই, দক্ষতা যাচাইয়ের যায়গা নেই। যার শক্তি নেই তাকে বাধা দেয়ারও প্রয়োজন নেই। বরং এভাবেই থাকুক।
এককথায় সবকিছুর কারন একটাই। সফটঅয়্যারে কিছু করা, দক্ষতা বাড়ানো বলুন আর ফ্রিল্যান্সিং বা  ক্লিক করে টাকা আয়ই বলুন, হাতপা যখন বাধা তখন বাংলাদেশকে নিয়ে কেউই মাথা ঘামাচ্ছে না। মুখে দুচারটা ভাল কথা, সে-তো খুব সহজ কাজ। তাতে যদি চুপ করিয়ে রাখা যায়।
সরকারের পরিকল্পনার আসলে কমতি নেই। আরো সাবমেরিন কেবল বসানো হবে। বিশ্ব যখন ফোরজি ব্যবহার করছে সেখানে বলা হচ্ছে কোনো একদিন থ্রিজি লাইসেন্স দেয়া হবে। যে ওয়াইম্যাক্স চালু করা হয়েছে তার নেটওয়ার্ক পাওয়া যায় না ঢাকা শহরের মাঝখানে। যদিও ফুটপাতে বসে কানেকশন বিক্রি করা হচ্ছে দেদারসে।
এসব কিছুতে বিভ্রান্ত মাঝের সেই দলটি, যারা ইন্টারনেট ব্যবহার করে আয় করতে চান। তাদের সংখ্যা কত অনুমান করা কঠিন। হয়ত বহু লক্ষ। কিন্তু ৩০ লক্ষ শেয়ার ব্যবসায়ী যখন সেখানে জালিয়াতি করা কাউকে দোষি বানাতে পারেনি সেখানে লক্ষ হোক আর কোটিই হোক, কার কি যায় আসে ?
বরং যদি সত্যিকার অর্থেই কাজ করতে আগ্রহি হন তাহলে প্রথমেই জেনে রাখা ভাল, আগের কাজ আগে। বর্তমান ইন্টারনেট ব্যবহার করে পিটিসি সাইট ওপেন করে ক্লিক করাও কষ্টকর। সেখানে অন্য কাজের জন্য ফাইল আপলোড-ডাউনলোড করতে চাইলে ইন্টারনেট ব্যবহারের ক্ষেত্রে ধনীর দলে যোগ দিতে হবে। পেপল যখন নেই তখন বিদেশী ক্রেডিট কার্ডধারী হতে হবে। নইলে দুরে থাকাই ভাল।
কাজ করার পর শুধুমাত্র ইন্টারনেটের কারনে পাঠানো যাচ্ছে না এটা মেনে নেয়া কষ্টকর।
»» read more
free counters
^ Back ToTop