paponblog

Friday, 3 August 2012

টাইটানিক জাহাজ ডুবার ইতিহাস


প্রথম বিশ্বযুদ্ধের প্রাক্কালে সর্বাধুনিক কারিগরি দক্ষতা এবং সরঞ্জাম নিয়ে তৈরি হওয়া বিশালাকৃতির "টাইটানিক" জাহাজটি যাত্রার চতুর্থ দিনের মাথায় কিভাবে উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে ডুবে গিয়েছিল, সে রহস্য এখনো আমাদের কাছ
ে অজানাই রয়ে গেছে। যদিও টাইটানিক জাহাজের ধ্বংসাবশেষ নিয়ে গবেষণায় বিজ্ঞানীরা বিশ্ববাসীকে এক এক সময়ে এক এক তথ্য জানিয়েছেন কিন্তু তারা কেউই এ জাহাজ ডুবির কারণগুলো সম্পর্কে একমত হতে পারেন নি।
ফলে "টাইটানিক" আমাদের কাছে যেন কিংবদন্তীর মিথ। 'টাইটান' ছিল গ্রীক পুরানের সৃষ্টির শক্তিশালী দেবতা। যিনি শুধু সৃষ্টিই করেন। এই টাইটানের নাম অনুসারে জাহাজটির নাম রাখা হয়েছিল "টাইটানিক"। জাহাজটির আসল নাম ছিল, আর এম এস টাইটানিক। আর.এম.এস এর শব্দরূপ হচ্ছে রয়্যাল স্টিমার। সে হিসেবে জাহাজটি পুরো নাম দাড়ায় "রয়্যাল মেল স্টিমার টাইটানিক"। এর নির্মাতা প্রতিষ্ঠানছিল হল্যাণ্ডের "হোয়াইট স্টার লাইন।" টাইটানিক তৈরিতে সে সময় খবর পরেছিল ৭৫ লাখ ডলার। ১৯০৭ সাল থেকে জাহাজটির নির্মাণকাজ শুরু হয়েছিল আর শেষ হয়েছিল ১৯১২ সালে। জাহাজটির দৈর্ঘ্য ছিল ২৭৫ মিটার। আসন সংখ্যা ছিল প্রায় দুই হাজার এবং এর ওজন ছিল ৬০ হাজার টন। সে সময়ে এত বড় বিশালাকৃতির জাহাজ তৈরি করা মানুষের কল্পনার বাইরে ছিল। প্রকৃতপক্ষে এখনকার দিনে টাইটানিক জাহাজটি আকারে এত বড় ছিল যে, দেখতে এটিকে একটি ছোটখাট শহরের মত মনে হত, এতে করে কৌতুহলী মানুষের দৃষ্টি সবসময় এটির প্রতি নিবন্ধ থাকত। সে সময় জাহাজটির প্রথম শ্রেণীর যাত্রীদের ভাড়া ছিল ৩১০০ ডলার আর তৃতীয় শ্রেণীর ভাড়া ছিল ৩২ ডলার। প্রকৃতপক্ষে বৃটেন থেকে আটলান্টিক মহাসাগর পাড়ি দিয়ে আমেরিকায় যাওয়া এই লম্বা যাত্রাপথ ছিল বেশ বিপদ সংকুল। ঝড়ঝঞ্ঝা পেরিয়ে নির্দিষ্ট দূরত্ব অতিক্রম করে সঠিক জায়গায় পৌঁছানো বেশ চ্যালেঞ্জের ব্যাপার ছিল। তারপরও বৃটেনের কিছু সমুদ্র প্রিয় মানুষসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের মানুষ অধিকমূল্যে টিকেট ক্রয় করে টাইটানিকে চড়ে বসেছিল, তাদের উদ্দেশ্য ছিল টাইটানিক চড়ে নির্দিষ্ট গন্তব্যে যাত্রার মাধ্যমে একটি ইতিহাসের সাক্ষী হওয়া। টাইটানিকের অপারেটর ছিল বৃটেন-মার্কিন যৌথ কোম্পানী 'হোয়াইট স্টার'। ব্রিটিশ সরকারের নৌ নিরাপত্তা অধিদপ্তর "রোড অফ ট্রেড সেফটি" টাইটানিককে সমূদ্র যাত্রার ছাড় পত্র দিয়েছিল। ২২০০ যাত্রী এবং কয়েকশ জাহাজকর্মী নিয়ে ১৯১২ সালের ১০ এপ্রিল সাউদাম্পটন থেকে নিউইয়র্কের দিকে যাত্রা শুরু করে টাইটানিক। যাত্রার প্রারম্ভে বিশ্বমিডিয়া টাইটানিককে নিয়ে বেশ মনোমুগ্ধকর গসিব তৈরি করে তা বিশ্বময় ছড়িয়ে দিয়েছিল আর মিডিয়ার বদৌলতে যেদিন টাইটানিক সাধারণ মানুষের কাছে এক স্বর্গীয় জিনিসে পরিণত হয়েছিল। বন্দর থেকে টাইটানিক ছাড়ার সময় লোকে লোকারণ্য হয়ে যায়। সবাই টাইটানিককে একপলক দেখেই যেন ধন্য হয়ে গিয়েছিল। বিশ্ববাসীর স্বপ্নের টাইটানিক সাইরেন বাজিয়ে ধীরে ধীরে সীমাহীন আটলান্টিকের দিকে এগিয়ে যেতে লাগল। যাত্রীরাও নাচ গান এবং আমোদপ্রমোদে ইতিহাসের এই সন্ধিক্ষণকে উপভোগ করতে লাগল। জাহাজটিতে সর্বোচ্চ বিলাস বহুল রাত্রি-যাপনের ব্যবস্থা ছিল। ফলে টাইটানিকের সকল যাত্রী প্রার্থিব ভোগ বিলাসে মত্ত থেকে অনিশ্চিত গন্তব্যের দিকে এগিয়ে যেতে লাগল। একএক করে ৩টি দিন তাদের ভালই কাটল কিন্তু চতুর্থ দিনের মাথায় ১৪ এপ্রিল ১৯১২ রাত ১০টায় উত্তর আটলান্টিকের কাছে পৌঁছতেই পানির নিচে সযত্নে লুকিয়ে থাকা শৈলখণ্ডের সাথে ধাক্কা খেয়ে কিংবদন্তীর টাইটানিক ধীরে ধীরে সমুদ্রের নীল জলে ডুবে যায়। এর সাথে সাথে জাহাজে থাকা ১৫১৩জন যাত্রীর সলীল সমাধি ঘটে। অপর্যাপ্ত লাইফ বোটের মাধ্যমে মাত্র ৬৮৭ জন যাত্রীর জীবন রক্ষা পেলেও তাদের পরবর্তী জীবন কেটেছিল ভয়ংকর দুঃস্বপ্নে। বিংশ শতাব্দীর গোড়ার দিকে তথ্য প্রযুক্তি উৎকর্ষতার বদৌলতে বিজ্ঞানী এবং প্রযুক্তিবিদরা টাইটানিক জাহাজটি কখনোই পানিতে ডুববেনা বলে মন্তব্য করেছিল। কিন্তু সামান্য আইসবার্গেরআঘাতে এমন একটি শক্ত সামর্থ জাহাজ ডুবে যাওয়ায় বিশেষজ্ঞদের মনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এটিকে অনেকে অহমিকার কারণে ঈশ্বর প্রদত্ত অভিশাপ বলেও মত প্রকাশ করেছেন। টাইটানিক জাহাজ ডুবির ৭৩ বছর পর ১৯৮৫ সালে এর রহস্য উদঘাটনের জন্য একদল বিজ্ঞানী যন্ত্রচালিত অনুসন্ধান শুরু করেন। তারা জাহাজ ডুবিরস্থানে গিয়ে প্রায় ১৩০০০ মিটার পানির নিচে খুঁজে পান রাজকীয় জাহাজ টাইটানিকের ধ্বংসাবশেষ। এ যেন অভিশপ্ত যেই রাত্রির দুসহ স্মৃতি নিয়ে এখনো পানির আড়াই মাইল নিচে ঠাঁই দাঁড়িয়ে আছে। টাইটানিক ডুবিতে যান্ত্রিক ত্রুটি ছিল কিনা সে রহস্য হযত আর কোন দিনও উদঘাটিত হবে না তবে এই ডুবি আমরা যে এখনো প্রকৃতিকে জয় করতে পারিনি সে কথায় আমাদেরকে প্রবলভাবে মনে করিয়ে দেয়। তা নাহলে টাইটানিক ডুবির আজ একশ বছর পরও কেন আমরা হাতরে খুঁজি_যেই দুস্বপ্নের রাতকে? কিংবদন্তীর টাইটানিক জাহাজ ডুবি বিষয়ে ইংরেজ কবি শেলি তার ওজিম্যানডিয়াস কবিতায় মত প্রকাশ করেছেন এভাবে_ "সমুদ্রের নীচে বালি, পলি, আর প্রবালের মৃতদেহের পাশে ছড়িয়ে আছে বিংশ শতাব্দীর বিজ্ঞান ও প্রকৃতির অহমিকার শেষ চিহ্ন।"
»» read more

Thursday, 26 July 2012

বিশ্বের সবচেয়ে লম্বা মহিলা


১৮৭১ সালের রেকর্ড এটি !!!

এনা হেনান সেয়ান (ক্যানাডা) ৮ ফিট ১ ইঞ্চি লম্বা ছিলেন !
সেই সময়ে খুজে পাওয়া সবচেয়ে লম্বা মহিলা তিনিই ছিলেন !
অনেক কষ্টে লম্বা মানুষ খুজে তিনি অবশেষে বিয়ে করলেন ,
তার পরেও তার স্বামী ছিল তার থেকে অনেক খাটো ,
তার স্বামী মারটিন ভ্যান বুরেন এর উচ্চতা ছিল ৭ ফিট ২.৫ ইঞ্চি !
»» read more

বিশ্বের সবচেয়ে ব্যায়বহুল িবেয়


সবচেয়ে ব্যায়বহুল বিবাহের আয়োজন করে গিনেজ সার্টিফিকেট পেল অবশেষে দুই কুকুর !!!

হা ! কটন ও চিলি দুই পোষা কুকুরের শানদার বিয়ের আয়োজন করেছেন তাদের মালিকরা !
বিয়েতে মোট খরচ হয়েছে ১৫৮,১৮৭.২৬ মার্কিন ডলার !!
»» read more

বিশ্বের বৃহত্তম অ্যাকোয়ারিয়াম


জর্জিয়া অ্যাকোয়ারিয়াম বিশ্বের বৃহত্তম অ্যাকোয়ারিয়াম ।

পানির নিচে দিয়ে হাটার অনুভূতি কি বুঝার জন্যই বানানো হয়েছে এমন রাস্তা ! উপরে ও দুই সাইড এ রয়েছে সামুদ্রিক জীবনের প্রতিচ্ছবি !
»» read more

Thursday, 19 July 2012

ইন্টারনেট থেকে মোবাইলে কল করুন বিশ্বের যেকোনো দেশে(একেবারে ফ্রীতে)

এর আগের পোস্টে দেখিয়েছিলাম কিভাবে  ইন্টারনেট থেকে মোবাইলে ফ্রী SMS করতে হয়।
চাইলে সেটি দেখে আসতে পারেন এখান থেকে
এবার দেখাব কিভাবে ইন্টারনেট থেকে মোবাইলে ফ্রী Call করা যায়। তো…আসুন দেখি…

প্রথমে এই লিঙ্ক এ প্রবেশ করুন।
যে পেজটি এসেছে সেটিতে আপনাকে একটি একাউন্ট খুলতে হবে। Sign up with E-mail বাটনে ক্লিক করুন।
এরপর সবকিছু ঠিকঠাক ভাবে পূরন করে Sign up বাটনে ক্লিক করুন।
আপনার ইমেইলে একটি মেইল পাঠানো হবে। তাই আপনার মেইলটি খুলে Confirm করুন।
এরপর যে পেজটি আসবে সেটিতে আপনার ছবি দিয়ে( না দিলেও চলবে) Finish বাটনে ক্লিক করুন।
এরপর উপরে ডান পাশে My profile এ যান।
এবার Edit my profile এ ক্লিক করুন



এরপর Phone number এ আপনার মোবাইল নাম্বার দিয়ে Verifiy দিন।

এবার যে পেজটি আসবে সেটিতে Verify my phone number এ ক্লিক করুন।
তাহলে দেখবেন আপনাকে একটি  Code number দেওয়া হবে।
এখন আপনি যে নাম্বারটি দিয়েছেন সেটিতে একটি Call যাবে। Receive করলে আপনাকে Code number টি বলতে বলবে। Code number টি সঠিকভাবে মুখে উচ্চারন করুন। সবকিছু ঠিকঠাক হলে আপনার মোবাইল নাম্বারটির validitation সম্পন্ন হবে। তাহলে দেখবেন আপনার একাউন্টে 0.25€ জমা হয়েছে

ফ্রীতে Credit ক্রয়ঃ
ফ্রীতে ক্রেডিট ক্রয় করার জন্য উপরে ডান পাশে Invite friends এ ক্লিক করুন।


তারপর share this link on Twitter, Linkedin or Facebook এর নিচের বক্সে দেওয়া লিঙ্কটি কপি করে আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন যাতে তারা এই লিঙ্কে এ গিয়ে উপরিউক্ত নিয়মে এই ওয়েবসাইটে একাউন্ট খুলে এবং নিজেদের মোবাইল নাম্বার ভেরিফাই করে। তাহলে প্রতি একাউন্ট খোলার জন্য আপনার একাউন্টে  0.15€ করে জমা হবে যা দিয়ে আপনি ফ্রী ফ্রী কল করতে পারবেন। 
এছাড়া আপনি চাইলে নিজে নিজে একাউন্ট খুলে মোবাইল নাম্বার ভেরিফাই করে আপনার একাউন্টে ক্রেডিট যোগ করতে পারেন। ভিন্ন ভিন্ন E-mail ঠিকানা পাওয়ার জন্য আপনি এই ওয়েবসাইট টি ব্যাবহার করতে পারেন। এখান থেকে মেইল ঠিকানা কপি করে ব্যাবহার করতে পারেন। এখানে সুবিধা হল আপনাকে মেইল confirmation এর জন্য কষ্ট করে  Log In করতে হবে না।
»» read more

Wednesday, 11 July 2012

আপনি কি আকাশে উড়তে চান !!! সত্যি এবার ডানা মেলে আকাশে উড়ে দেখেনত আপনি কতটা এক্সপার্ট!!!!!

আসসালামু আলাইকুম,
আশা করি সবাই ভাল আছেন। আপনই এখন চাইলে  আকাশে উড়তে পারেবন আপনার ইচ্ছা মত। কিন্তু সাবধান, কাঁক যেন আপনাকে ঠুকিয়া ফেলে না দেয়। আসলে খুব মজার একটি গেম।আমি আপনাদের  canyonglider  গেম ডাউনলোড করার লিঙ্ক নিচে  দিলাম, ডাউনলোড করে নিন এবং খেলে লুফিয়ে নিন মজা ! খেলার শুরুর অংশের  picture upload করে দিলাম।

ডাউনলোড করার জন্য আপনাকে নিচের দেয়া লিঙ্কে ক্লিক করে ৫ সেকেন্ড অপেক্ষা করতে হবে এবং ৫ সেকন্ড পর ডান দিকের skip বাটনে ক্লিক করতে হবে তাহলে ডাউনলোড শুরু হয়ে যাবে।

ডাউনলোড লিংক(canyonglider)
ধন্যবাদ সবাইকে ভালো থাকবেন, আল্লাহ হাফেজ।
»» read more

আসুন চিকিৎসা ও স্বাস্থ্যতথ্য বিষয়ে কিছু ওয়েব সাইটের সাথে পরিচিত হই!

অন্যতম মৌলিক অধিকার চিকিৎসা সেবা থেকে বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ বঞ্চিত। এক জরিপে দেখা যায়, এ দেশের প্রায় সাড়ে সাত লাখ প্রাপ্তবয়স্ক ও ৪০ হাজার শিশু চোখের ছানি এবং অন্যান্য কারণে দৃষ্টিহীনতায় ভুগছে। আর কিডনি রোগে আক্রান্ত হলে বেশির ভাগ লোক জানতেই পারেন না, তিনি রোগে আক্রান্ত।

কিডনি রোগের চিকিৎসা এতোই ব্যয়বহুল যে, দেশের ৯৫ পারসেন্ট মানুষেরই দীর্ঘ মেয়াদি এ চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়ার সামর্থ্য নেই। সরকারি হসপিটালগুলোতে চিকিৎসা সেবার বেহাল অবস্থা। ৯ তারিখের দৈনিক পত্রিকার খবর, ঢাকার অন্যতম চারটি হসপিটাল ১০ ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন অবস্থায় ছিল। চিকিৎসা সেবার যখন এই হাল, তখন আমাদের দেশে কিছু প্রতিষ্ঠান ওয়েবসাইটের মাধ্যমে চিকিৎসা সেবা দেয়ার জন্য এগিয়ে এসেছে। আজ এ নিয়ে আমাদের আলোচনা।

এভারগ্রিন বাংলা ডট কম তাদের অন্যান্য সেবার মতো স্বাস্থ্য বিষয়ক একটি সেবা চালু করেছে। এ সাইটে তারা বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত স্বাস্থ্য বিষয়ক রচনা, প্রবন্ধ এবং আলোচনার সঙ্কলন বাংলায় এবং ইউনিকোডে তৈরি করেছে। সাইটটি দেখতে ততোটা সুন্দর না হলেও সেখানে যে তথ্যগুলো সংরক্ষিত হচ্ছে তা অতি মূল্যবান। অনেকে রোগকে অবহেলা করে এক সময় গুরুতর অবস্থায় পড়েন। আবার অনেকে সহকর্মী বা প্রতিবেশীর সঙ্গে পরামর্শ করে ভুল ওষুধ সেবন করে। সবার জন্যই এ সাইটটি তথ্যসমৃদ্ধ সাইট হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। প্রতিটি রোগকে আলাদা ভাবে সাজানো হয়েছে এখানে। বিভিন্ন ডাক্তারের পরামর্শও যুক্ত করা হয়েছে।

এ সাইটটিও চমৎকার একটি উদ্যোগ। বাংলা এবং ইংরেজি দুই ভাষায় এখানে বিভিন্ন রোগের বিস্তারিত বিবরণ দেয়া হয়েছে। উপসর্গ এবং লক্ষণ থেকে শুরু করে কি করা উচিত, কখন ডাক্তার দেখানো উচিত এবং রোগ নির্ণয়ের পরে কিভাবে প্রতিষেধক নেবেন এবং রোগ প্রতিরোধের উপায়গুলোও এখানে সুন্দর করে দেয়া আছে। এখানে ডাক্তার এবং হসপিটালের তথ্যসমৃদ্ধ একটি ডেটাবেজ আছে। যেখানে অসুখের নাম দিয়ে ডাক্তার খোজা যায়। সেই ডাক্তার কোথায় এবং কখন বসেন সেসব শেডিউলসহ ডাক্তারের চেম্বারের ফোন নাম্বার পাওয়া যায়। ঢাকা শহরে ২৪ ঘণ্টা যে ওষুধের দোকানগুলো খোলা থাকে সেগুলোর ঠিকানাসহ বিভিন্ন ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ব্লাড ব্যাংক এবং অ্যাম্বুলেন্স সরবরাহ করে এমন প্রতিষ্ঠানগুলোর ঠিকানা এখানে দেয়া আছে।

এ সাইটটিও চমৎকার একটি উদ্যোগ। বাংলা এবং ইংরেজি দুই ভাষায় এখানে বিভিন্ন রোগের বিস্তারিত বিবরণ দেয়া হয়েছে। উপসর্গ এবং লক্ষণ থেকে শুরু করে কি করা উচিত, কখন ডাক্তার দেখানো উচিত এবং রোগ নির্ণয়ের পরে কিভাবে প্রতিষেধক নেবেন এবং রোগ প্রতিরোধের উপায়গুলোও এখানে সুন্দর করে দেয়া আছে। এখানে ডাক্তার এবং হসপিটালের তথ্যসমৃদ্ধ একটি ডেটাবেজ আছে। যেখানে অসুখের নাম দিয়ে ডাক্তার খোজা যায়। সেই ডাক্তার কোথায় এবং কখন বসেন সেসব শেডিউলসহ ডাক্তারের চেম্বারের ফোন নাম্বার পাওয়া যায়। ঢাকা শহরে ২৪ ঘণ্টা যে ওষুধের দোকানগুলো খোলা থাকে সেগুলোর ঠিকানাসহ বিভিন্ন ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ব্লাড ব্যাংক এবং অ্যাম্বুলেন্স সরবরাহ করে এমন প্রতিষ্ঠানগুলোর ঠিকানা এখানে দেয়া আছে।

মোট ৭৯১ জন রক্তদাতা এ সাইটের সঙ্গে যুক্ত আছেন। এটি একটি ভার্চুয়াল ব্লাড ব্যাংক। আপনিও ইচ্ছা করলে এখানে একজন মেম্বার হতে পারেন, যা কি না সম্পূর্ণ ফ্রি। এখানে লগইন করার মাধ্যমে আপনি অন্যান্য রক্তদাতার সম্পর্কে তথ্যাদি জানতে পারবেন, তাদের কাছে প্রয়োজনে রক্তের আবেদন করতে পারবেন। আবার সদস্যরা ছাড়াও যে কোনো ব্যক্তির রক্তের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিলে রক্তের গ্রুপসহ আর্জেন্ট রিকোয়েস্ট জানাতে পারবেন। এটি রক্তদাতাদের কাছে চাহিদা পৌছানোর একটি দ্রুততম মাধ্যম, যা আপনিও ব্যবহার করতে পারেন। এখানকার কমেন্ট সেকশনটি হয়তো কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিগোচর হয়নি, হলে অবশ্যই তারা অপ্রয়োজনীয় লিঙ্কগুলো মুছে ফেলতেন।

বাংলাদেশে ডায়াবেটিস আক্রান্ত রোগীদের স্বাস্থ্যসেবা দেয়ার জন্য দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতি। এ সমিতির অফিশিয়াল সাইট হলো এটি। এ সাইটটি বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির কার্যক্রম ও তাদের বিভাগগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সরবরাহ করে থাকে। ডায়াবেটিস কি এবং এটি হলে ওষুধ গ্রহণের মাত্রা সম্পর্কে এখানে কিছু তথ্য দেয়া আছে।
»» read more
free counters
^ Back ToTop